Posts

Showing posts with the label Religion

বিশেষ ব্যক্তিদের নামের শেষে সাঃ আঃ রাঃ রহঃ হাফিঃ দোয়া সূচক বাক্যের ব্যবহার।

Image
বিশেষ ব্যক্তিদের নামের শেষে দোয়া সূচক বাক্য সমূহ সুন্নী ইসলামে একটি বিশেষ ধারায় ব্যবহার হয়ে থাকে। অর্থাৎ সম্মান ও মর্যাদা ভেদে তারা দোয়া সূচক শব্দ সমূহ একেক মর্যাদার মানুষের একেকটি ব্যবহার করে থাকেন। নামের পর দোয়া সূচক বাক্য সাঃ আঃ রাঃ রহঃ হাফিঃ ব্যবহার। যেমনঃ নবী মুহাম্মদের নামের পর বলা হয় (সাঃ), অন্যান্য নবী ও ফেরেশতাদের নামের পরে বলা হয় (আঃ) সাহাবীদের নামের পর বলা হয় (রাঃ) সর্বশেষ অন্যান্য নেককার বান্দা যেমন, তাবেঈ, তাবে তাবেঈ, ফকিহ, মুহাদ্দেসদের নামের পর বলা হয় (রহঃ)। এছাড়াও সাধারণ জীবিত মুসলিমদের নামের পরে বলা হয় (হাফিঃ)। এই কথা সত্য যে অর্থগত দিক বিবেচনা করলে সবার নামের পর ইচ্ছা মতো যেকোন একটা বলা দোষের কিছু নেই তবুও সুন্নি ইসলাম তাদের মরযাদায় ভিন্নতার কারণে দোয়া সূচক শব্দের ব্যবহারে ভিন্নতাকে পছন্দ করেছে। সেই সালাফদের মধ্যে থেকে এই ধারা অব্যাহত আছে। আমিও (লেখক) তাতে একমত। দুনিয়ার সকল সুন্নী বিশেষজ্ঞ এই বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেন। তবে শিয়াদের ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়, যেমন আমরা (সুন্নিরা) পূর্বের সকল নবীদের নামের পর (আঃ) বাক্যটি লিখি। কিন্তু শিয়ারা তাদের ইমাম ও আহল...

নাম রাখা বা ডাকার সময় আল্লাহর গুনবাচক নাম ব্যবহারে সাবধানতা!

Image
প্রশ্ন : আমার নাম আব্দুর রহমান। এলাকার সবাই আমাকে রহমান বলেই ডাকে। এভাবে (রহমান) নাম রাখা বা ডাকা কতটুকু সঠিক ? উত্তর: আল্লাহর নাম বা গুনবাচক দিয়ে   মুসলিমের নাম যখন রাখা হয় , তখন সামনে "আব্দ" (বাংলা- দাস এবং English- Slave)  শব্দটি যুক্ত করতে হয়। ' আব্দ ' শব্দটি যদি যুক্ত না করে তবে সে নামটি সঠিক নয়। কেননা মানুষ কখনো স্রষ্টা বা তার সমতুল্য হতে পারেনা। বরং মানুষ   স্রষ্টার দাস। তার পরিচয় শুধুই দাস। এখানেই তার সম্মান ও মর্যাদা। এর বাইরে আর কিছুই নয়। অতএব , নাম রাখা বা ডাকার সময় বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। নয়লে মুসলিম হিসেবে ভালোবেসে   আল্লাহর নামের সাথে মিল রেখে যে নাম রাখি। তাতে গুনাহ হবে।   যদি কেউ এটা জানার পরেও ' আব্দ ' শব্দটি বাদ দিয়ে নাম রাখে বা ডাকে তবে সে যেন তাতে শিরকের গুনাহের মতো গুনাহে লিপ্ত হওয়ার ভয় রাখে।  Name or Isma প্রিয় ভাই , আপনার নাম রাখার ধরনটি   (আব্দুর রহমান) ইসলাম সম্মত। তবে অন্যদের   ডাকার ধরনটি ইসলাম বিরোধী। আশা রাখি আপনি বুঝেছেন। যারা আপনাকে   ' রহমান ' বলে ডাকে তাদের বলে দিন , " রহমান" হচ্ছেন আল্লাহ আর আপনি রহ...

যখন সবার কাছে ঘড়ি আছে তখন আযানের প্রয়োজন কি? জাকির নায়েক।

Image
 যখন সবার কাছে ঘড়ি আছে তখন আযানের প্রয়োজন কি? জাকির নায়েক। Tag: Zakir Naik,  Watch, Clock, Azan, Adhan, Bell,  ঘড়ি, ঘন্টা, আজান, আযান, জাকির নায়েক। ঘড়ি,  

পানি পানের নিয়ম: শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ।

Image
পানি পানের নিয়ম: শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ।  

প্রশ্ন: সালাতে আমরা তো রুকু একটি করি, কিন্তু সাজদা দুটি করতে হয় কেন?

Image
প্রশ্ন: সালাতে আমরা তো রুকু একটি করি, কিন্তু সাজদা দুটি করতে হয় কেন? Surah Ta-Ha, 20:55 জবাব: এ প্রসঙ্গেই আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমরা সালাতে একটি রুকু করার পর দুটি সাজদা করি কেন? এর হাকিকত কী? জবাবে আলি রা. বলেন: দেখো, আল্লাহ্‌ পাক কুরআনুল করিমে আমাদের সৃষ্টি, পুনরুত্থান ও মাটি সম্পর্কে বলেছেন:  مِنْهَا خَلَقْنَـٰكُمْ وَفِيهَا نُعِيدُكُمْ وَمِنْهَا نُخْرِجُكُمْ تَارَةً أُخْرَىٰ   "মিনহা খালাকনাকুম ওয়া ফিহা নুয়িদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা।" অর্থ: "আমরা তা (মাটি) থেকেই তোমাদের সৃষ্টি করেছি, তাতেই তোমাদর ফিরিয়ে নেবো এবং পরে দ্বিতীয়বার তা থেকেই তোমাদের বের করে আনবো।" "Thereof We created you, and into it we shall return you, and from it We shall bring you out once again" জমিনে আমাদের পয়লা সাজদার পর মাথা উঠিয়ে বসা দ্বারা আমরা সাক্ষ্য দেই: আমরা মাটি থেকেই সৃষ্ট হয়েছি। দ্বিতীয় সাজদা দ্বারা আমরা সাক্ষ্য দেই: আমরা আবার মাটিতেই ফিরে যাবো। দ্বিতীয় সাজদা থেকে আবার মাথা উঠানো দ্বারা আমরা সাক্ষ্য দেই: আমরা মাটি থেকেই পুনরুত্থিত হবো। সাল...

ফতোয়াঃ মাইকে আযান দেওয়া সম্পর্কে । Fatwa- about loudspeaker use in Adhan

Image
Calling the Azan using a microphone প্রশ্নঃ মাইক্রোফোন ব্যবহার করে প্রার্থনা করার আহ্বান জানাতে ইসলাম কী বলে? এটি কখন শুরু হয়েছিল এবং এর পেছনের জ্ঞানটি কী? উত্তরঃ সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের পালনকর্তা; এবং তাঁর নিয়ামত ও শান্তি আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর সমস্ত পরিবার ও সাহাবাগণের উপর বর্ষিত হোক। লাউড স্পিকার কেবল এমন একটি মাধ্যম যা মুয়াজ্জিনের শব্দকে স্পষ্ট এবং সুন্দরভাবে বিপুল মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। প্রকৃতপক্ষে আজানের স্পষ্টতা এবং সৌন্দর্য উভয়ই শরিয়তে অত্যন্ত প্রস্তাবিত। "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদকে বিলালের কাছে যাওয়ার আদেশ দেন এবং তাকে (বিলাল) আরও ভাল উত্তম স্বরে আজান (দাওয়াত) দেওয়ার নির্দেশ দেন।" [আবু দাউদ] বিলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আজান দেওয়ার জন্য মসজিদের নিকটে থাকা একটি বাড়ির ছাদে দাঁড়াতেন। (আবু দাউদঃ 519) আযানের পিছনে উদ্দেশ্য বা জ্ঞান সুস্পষ্ট, অর্থাৎ তাওহীদের বাণী, ইসলামের প্রতীক প্রচার করা, ইসলামের বাণী প্রচার করা, মুসলমানদের নামাজের সময় সম্পর্কে অবহিত করা এবং তাদেরকে জামাতের নামাজের সময় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান...