আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু বিদাত:
নবীজি (সাঃ) ইবাদত হিসেবে যে আমল করেননি তা করাটাই বিদাত।
আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু বিদাত:
১/ মিলাদ উদযাপন করা।
২/ শবে-বরাত, শবে-মেরাজ উদযাপন করা।
৩/ আযানের পূর্বে সালাত-সালাম বলা।
৪/ ফরজ সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত করা।
৫/ দলবেঁধে উচ্চস্বরে জিকির ও দরূদ পড়া। (জিকির ও দরূদ পড়া বড়ই পূণ্যের কাজ। এইসব যত গোপনে বা নিরবে করা যায় ততই উত্তম)
৬/ মৃত মানুষের পাশে ও কবরে কোরআন তেলাওয়াত করা।
৭/ মৃত মানুষের চল্লিশা করা।
৮/ পা ধরে সালাম করা।
৯/ শুধু মাত্র ২৭ শে রামাদানের রাতকে কদরের রাত মনে করা। (হাদিসে রামাদানের শেষ দশ দিনের যেকোনো বেজোড় রাতগুলোতে কদরের সন্ধান করতে উৎসাহিত করেছে)
১০/ কবর পাকা করা এবং কবরকে মাজার বানানো।
১১/ কবর বা মাজারে টাকা দেওয়া, বাতি জ্বালানো।
১২/ ঘরে, দোকানে, গাড়িতে ইত্যাদি স্থানে কোরআন খতম করা। (এই কোরআন ঘর, দোকান ও গাড়ির মালিকের জন্য নাযিল হয়েছে)।
১৩/ গাউসিয়া শরিফ, গেয়ারো শরিফ, ওরশ শরিফ ইত্যাদি করা। (বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর নামে এইসব বিদাত প্রচলিত)।
১৪/ মুখে নিয়ত পড়া। (নিয়ত অন্তরের ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পর্কিত বিষয়)
১৫/ নারায়ে রিসালাত ও নারায়ে গাউসিয়া স্লোগান দেয়া। (মুসলিমদের আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কোন নামে তাকবির বলাটা সঠিক নয়)
১৬/ নবীজির নাম শোনে আঙ্গুল চুমু দেওয়া। (হাদিসে নবীজির (সাঃ) নাম শোনলে বা উচ্চারণ করলে দরূদ পাঠ করতে উৎসাহিত করেছে)।
১৭/ খুৎবা দেওয়ার সময় হাতে লাঠি নেওয়া। (কেউ যদি লাঠি ছাড়া দাঁড়াতে অক্ষম হয় সেটা ভিন্ন কথা)
১৮/ সবিনা খতম পড়া।
১৯/ মুহরুম মাসে ইবাদত মনে করে হালোয়া রুটি তৈরি করা।
---------------------------------------------------------------------------
আমার জানা মতে উপরে উল্লেখিত সব আমলই বিদাত, যেগুলার শরয়ী কোনো ভিত্তি নেই। ইসলামের জন্ম ভূমিতে এইসব আমল আপনি দেখবেন না। কারণ এগুলো আমাদের সমাজে ধর্মের নামে প্রচলিত কুসংস্কার। মজার বিষয় হলো, যারা এইসব বিদাত করে তারাও এই বিদাত গুলির পক্ষে কোরআন হাদিস থেকে দলিল দেওয়ার চেষ্টা করে। যেমনটি কিছু লোক মাইক হারামের দলিল দিয়ে থাকেন। যদি দলিল দানে ব্যারথ হয়, তবে বলে, "এইগুলো আমল করলে অসুবিধা কি?"
Comments
Post a Comment